Vat Savitri Puja Bengali

বট সাবিত্রী ব্রত ২০২৬ (Vat Savitri Puja Bengali): অমাবস্যা ও পূর্ণিমা ব্রতের তারিখ, পুজো বিধি, কথা এবং ১৫+ অলৌকিক লাভ

ভূমিকা: সতী সাবিত্রীর অক্ষয় পুণ্যগাথা… সনাতন ধর্মে বিবাহিত মহিলাদের জন্য যে কয়েকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং মহিমান্বিত ব্রতের উল্লেখ রয়েছে, তার মধ্যে ‘বট সাবিত্রী ব্রত’ অন্যতম। এই ব্রত হল পতিভক্তি, ত্যাগ এবং বিশ্বাসের এক অনন্য প্রতীক। পৌরাণিক যুগে সতী সাবিত্রী তাঁর একনিষ্ঠ পতিব্রতা ধর্মের জোরে যমরাজের হাত থেকে স্বামী সত্যবানের প্রাণ ফিরিয়ে এনেছিলেন। সেই অলৌকিক ঘটনাকে স্মরণ করে এবং নিজের স্বামীর দীর্ঘায়ু, সুস্বাস্থ্য ও সংসারের মঙ্গলের জন্য প্রতি বছর সতী সাধ্বী রমণীরা এই ব্রত পালন করে থাকেন।

আজ Pujapath.net-এর এই বিশেষ এবং দীর্ঘ নিবন্ধে আমরা ২০২৬ সালের বট সাবিত্রী ব্রতের সঠিক তারিখ, শুভ মুহূর্ত, পুজোর নিখুঁত নিয়মাবলী, ব্রত কথা এবং এই উপবাসের ১৫টিরও বেশি অলৌকিক লাভ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।


Contents hide

১. বট সাবিত্রী ব্রত ২০২৬: তারিখ ও শুভ মুহূর্ত (Date & Shubh Muhurat)

ভারতে অঞ্চলভেদে বট সাবিত্রী ব্রত দুটি আলাদা সময়ে পালিত হয়—একটি অমাবস্যা তিথিতে (প্রধানত উত্তর ভারত, বিহার ও ঝাড়খণ্ডে) এবং অন্যটি পূর্ণিমা তিথিতে (প্রধানত মহারাষ্ট্র, গুজরাট ও দক্ষিণ ভারতে)। পশ্চিমবঙ্গেও অনেক পরিবার তাঁদের কুলপ্রথা অনুযায়ী এই ব্রত পালন করেন।

ক) বট সাবিত্রী অমাবস্যা ২০২৬ (Vat Savitri Amavasya 2026)

জ্যৈষ্ঠ মাসের কৃষ্ণপক্ষের অমাবস্যা তিথিতে এই ব্রত প্রথম ভাগে পালিত হয়।

  • ব্রতের তারিখ: ১৫ই মে, ২০২৬ (শুক্রবার)

  • অমাবস্যা তিথি শুরু: ১৪ই মে, ২০২৬ – রাত ১০:৫৮ মিনিটে।

  • অমাবস্যা তিথি শেষ: ১৫ই মে, ২০২৬ – রাত ০৮:১৫ মিনিটে।

খ) বট সাবিত্রী পূর্ণিমা ২০২৬ (Vat Savitri Purnima 2026)

জ্যৈষ্ঠ মাসের শুক্লপক্ষের পূর্ণিমা তিথিতে দ্বিতীয় ভাগে এই ব্রত পালিত হয়।

  • ব্রতের তারিখ: ৩০শে মে, ২০২৬ (শনিবার)

  • পূর্ণিমা তিথি শুরু: ২৯শে মে, ২০২৬ – দুপুর ১২:২৫ মিনিটে।

  • পূর্ণিমা তিথি শেষ: ৩০শে মে, ২০২৬ – সকাল ১০:১৭ মিনিটে (উদয়া তিথি অনুযায়ী ৩০শে মে সারাদিন ব্রত পালন করা যাবে)।


২. কেন এই ব্রতের নাম ‘বট সাবিত্রী’? (Significance of Vat Tree)

এই ব্রতের সাথে ‘বট’ অর্থাৎ বটগাছের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। শাস্ত্রে বটবৃক্ষকে অত্যন্ত পবিত্র এবং ত্রিদেবের (ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও মহেশ্বর) বাসস্থান বলা হয়েছে। বটগাছের জটা বা শিকড়কে সাবিত্রী এবং এর কাণ্ডকে সত্যবানের প্রতীক মানা হয়। যখন যমরাজ সত্যবানের প্রাণ হরণ করে নিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন সাবিত্রী এই বটগাছের নিচেই সত্যবানের মৃতদেহ রেখে যমরাজের পিছু নিয়েছিলেন। ফিরে এসে এই গাছের নিচেই তিনি স্বামীর প্রাণ ফিরে পান। এছাড়া বটগাছ দীর্ঘজীবী হয়, তাই এই গাছকে সাক্ষী রেখে পুজো করলে স্বামীর আয়ুও বটবৃক্ষের মতোই দীর্ঘ হয়।


৩. বট সাবিত্রী ব্রতের সম্পূর্ণ পুজো বিধি ও নিয়ম (Step-by-Step Puja Vidhi)

বট সাবিত্রী ব্রত অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে পালন করতে হয়। নিচে এর সহজ ও শাস্ত্রীয় নিয়মগুলো দেওয়া হলো:

  1. পূর্ব প্রস্তুতি: ব্রতের আগের দিন থেকেই মনে সাত্বিক ভাব বজায় রাখুন। পুজোর জন্য নতুন বা পরিষ্কার লাল, হলুদ বা কমলা রঙের শাড়ি এবং সম্পূর্ণ বিয়ের সাজের সামগ্রী (নাকছাবি, সিঁদুর, আলতা, চুড়ি) গুছিয়ে রাখুন। এই পুজোয় কালো বা নীল রঙের পোশাক পরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

  2. উপবাস ও সংকল্প: ব্রতের দিন সকালে সূর্যোদয়ের আগে ঘুম থেকে উঠুন। গঙ্গাজল মিশ্রিত জলে স্নান সেরে শুদ্ধ বস্ত্র পরিধান করুন। এরপর সূর্য দেব ও বাড়ির দেবতাকে প্রণাম করে হাত জোড় করে স্বামীর দীর্ঘায়ু কামনা করে ব্রতের সংকল্প নিন।

  3. পুজোর সামগ্রী: একটি থালায় কাঁচা সুতো (হলুদ ও লাল রঙে রাঙানো), বাঁশের তৈরি পাখা, ভিজে ছলা বা বুট কলাই, মরশুমী ফল (আম, লিচু, কাঁঠাল), মিষ্টি, জলপূর্ণ ঘট এবং সিঁদুর-আলতা সাজিয়ে নিন। বাঁশের তৈরি পাখা এই পুজোয় অপরিহার্য।

  4. বটবৃক্ষ তলে পুজো: বাড়ির কাছাকাছি কোনো পবিত্র বটগাছের নিচে যান। যদি বটগাছ না থাকে, তবে বটগাছের একটি ছোট ডাল এনে টবে বসিয়ে ঘরেও পুজো করা যায়। প্রথমে বটবৃক্ষের গোড়ায় জল ও কাঁচা দুধ অর্পণ করুন। এরপর চন্দন, সিঁদুর ও ফুল দিয়ে গাছের পুজো করুন।

  5. সুতো বাঁধার নিয়ম (পরিক্রমা): এটি এই ব্রতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কাঁচা সুতোটি হাতে নিয়ে বটগাছকে ঘড়ির কাঁটার দিকে (Clockwise) অন্তত ৭, ১১, ২১ বা ১০৮ বার পরিক্রমা করুন এবং সুতোটি গাছের কাণ্ডে জড়াতে থাকুন। প্রতিটি পাক দেওয়ার সময় মনে মনে স্বামীর মঙ্গল কামনা করুন।

  6. পাখা ঝেলা ও বায়ণ দান: পুজো শেষে বাঁশের পাখাটি দিয়ে বটগাছকে এবং বাড়িতে এসে স্বামীকে বাতাস করুন। এরপর ভিজে ছলা ও ফল একটি বাঁশের ডালায় রেখে শাশুড়ি বা কোনো বয়োজ্যেষ্ঠ সধবা মহিলার পা ছুঁয়ে প্রণাম করে সেটি ‘বায়ণ’ বা উপহার হিসেবে দান করুন।


8. সতী সাবিত্রীর সংক্ষিপ্ত ব্রত কথা (Vat Savitri Vrat Katha)

পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে, মদ্র দেশের রাজা অশ্বপতির কন্যা সাবিত্রী ছিলেন অত্যন্ত গুণবতী ও পতিব্রতা। তিনি দ্যুমতসেনের পুত্র সত্যবানকে নিজের স্বামী হিসেবে বরণ করেন। সত্যবান ছিলেন সর্বগুণ সম্পন্ন কিন্তু তাঁর আয়ু ছিল মাত্র এক বছর, যা দেবর্ষি নারদ সাবিত্রীকে আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন। তা সত্ত্বেও সাবিত্রী নিজের সিদ্ধান্তে অটল থাকেন এবং সত্যবানকে বিয়ে করে বনে চলে আসেন।

এক বছর পূর্ণ হওয়ার দিন সত্যবান যখন বনে কাঠ কাটতে যান, সাবিত্রীও তাঁর সাথে যান। কাঠ কাটার সময় হঠাৎ সত্যবানের মাথায় তীব্র যন্ত্রণা শুরু হয় এবং তিনি একটি বটগাছের নিচে সাবিত্রীর কোলে মাথা রেখে জ্ঞান হারান। সেই মুহূর্তে যমরাজ স্বয়ং সেখানে উপস্থিত হন এবং সত্যবানের প্রাণ (সূক্ষ্ম শরীর) নিয়ে দক্ষিণ দিকে রওনা হন।

সাবিত্রীও তাঁর পতিভক্তির জোরে যমরাজের পিছু নেন। যমরাজ তাঁকে বারবার ফিরে যেতে বলেন, কারণ মৃত্যুর পর কারোর ফিরে আসা সম্ভব নয়। কিন্তু সাবিত্রী নিজের বুদ্ধিমত্তা, মধুর বাণী এবং পতিব্রতা ধর্মের কথা বলে যমরাজকে মুগ্ধ করেন। সাবিত্রীর নিষ্ঠা দেখে যমরাজ তাঁকে স্বামীর প্রাণ ছাড়া তিনটি বর চাইতে বলেন।

  • প্রথম বরে সাবিত্রী তাঁর শ্বশুর-শাশুড়ির দৃষ্টিশক্তি ফিরে চান।

  • দ্বিতীয় বরে তিনি তাঁর শ্বশুরের হারিয়ে যাওয়া রাজ্য ফেরত চান।

  • তৃতীয় বরে সাবিত্রী যমরাজের কাছে ‘শত পুত্রের জননী’ হওয়ার বর চান।

যমরাজ না বুঝে “তথাস্তু” (তাই হোক) বলে দেন। বর দেওয়ার পরেই যমরাজ বুঝতে পারেন যে তিনি সাবিত্রীর বুদ্ধির জালে আটকে গেছেন। পতিব্রতা নারী স্বামী ছাড়া অন্য কারোর মাধ্যমে সন্তানের জন্ম দিতে পারেন না, তাই সাবিত্রীকে শত পুত্রের জননী করতে হলে সত্যবানকে বাঁচিয়ে তুলতেই হবে। নিজের বচনে বাধ্য হয়ে যমরাজ সত্যবানের প্রাণ ফিরিয়ে দেন। সাবিত্রী বটবৃক্ষের নিচে ফিরে এসে দেখেন সত্যবান জীবিত হয়ে উঠছেন। এই অলৌকিক ঘটনার পর থেকেই এই ব্রত জগতে প্রসিদ্ধ হয়।


💡 সম্পর্কিত নিবন্ধ: এগুলোও অবশ্যই পড়ুন


৫. বট সাবিত্রী ব্রত পালনের ১৫+ অলৌকিক লাভ ও মহিমা (Benefits)

পূর্ণ বিশ্বাস এবং শুদ্ধাচার মেনে এই ব্রত পালন করলে একজন সধবা নারী ও তাঁর পরিবারে নিম্নলিখিত ১৫টি অলৌকিক সুফল প্রাপ্তি হয়:

  1. স্বামীর দীর্ঘায়ু: সাবিত্রীর মতোই এই ব্রতের প্রভাবে স্বামীর ওপর আসা যেকোনো অকাল মৃত্যুর যোগ বা ফাঁড়া কেটে যায় এবং দীর্ঘায়ু লাভ হয়।

  2. অখণ্ড সৌভাগ্য লাভ: স্ত্রীর সিঁথির সিঁদুর অক্ষয় হয় এবং দাম্পত্য জীবনে কোনোদিন ‘বৈধব্য’ যোগ আসে না।

  3. সুস্বাস্থ্য ও রোগ মুক্তি: স্বামীর শরীরে থাকা দীর্ঘদিনের কোনো জটিল বা ক্রনিক ব্যাধি দূর হতে শুরু করে।

  4. বংশ রক্ষা ও সন্তান সুখ: যারা সন্তানহীনতায় ভুগছেন, মায়ের কৃপায় ও যমরাজের বরে তাঁদের কোল আলো করে গুণবান সন্তান আসে।

  5. দাম্পত্য কলহ মুক্তি: স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি, দূরত্ব বা পারিবারিক অশান্তি দূর হয়ে গভীর প্রেম ও শ্রদ্ধাবোধ তৈরি হয়।

  6. আর্থিক সমৃদ্ধি: সত্যবানের হারিয়ে যাওয়া রাজ্য ফিরে পাওয়ার মতোই, সংসারে দারিদ্র্য দূর হয়ে ব্যবসা ও কর্মক্ষেত্রে বিপুল উন্নতি আসে।

  7. যমরাজের কৃপা: মৃত্যুর দেবতা যমরাজ এই ব্রত পালনকারীদের প্রতি সন্তুষ্ট থাকেন, ফলে পরিবারে কোনো আকস্মিক দুর্ঘটনা ঘটে না।

  8. ত্রিদেবের আশীর্বাদ: বটবৃক্ষের পুজো করার মাধ্যমে ব্রহ্মা, विष्णु ও মহেশ্বরের সম্মিলিত কৃপা একবারে পাওয়া যায়।

  9. পারিবারিক সুখ ও শান্তি: শ্বশুরবাড়ির লোকেদের সাথে সম্পর্কের উন্নতি ঘটে এবং গৃহের পরিবেশ আনন্দময় হয়।

  10. নেতিবাচক শক্তি দূর: বটবৃক্ষের পবিত্র হাওয়া এবং পুজোর ধূপ-প্রদীপের ধোঁয়ায় বাড়ির সমস্ত অশুভ নজর বা নেতিবাচক শক্তি নষ্ট হয়।

  11. মানসিক দৃঢ়তা: সাবিত্রীর মতো কঠিন পরিস্থিতিতেও ধৈর্য ও সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার মানসিক শক্তি বৃদ্ধি পায়।

  12. সাত্বিক গুণের উদয়: নারীর মনে দয়া, ক্ষমা, সংযম এবং আধ্যাত্মিক চেতনার বিকাশ ঘটে।

  13. পূর্বপুরুষদের সদ্গতি: এই দিনে করা দান-ধ্যানের ফলে শ্বশুরকুল ও পিত্রিকুলের পিতৃপুরুষদের আত্মা শান্তি পায়।

  14. পাপ ক্ষয়: নারীদের জীবনের নানাবিধ মানসিক বা বাচনিক পাপ ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে যায়।

  15. অক্ষয় পুণ্য অর্জন: বটগাছের মতোই এই ব্রতের পুণ্য জীবনে কখনো শেষ হয় না, যা পরবর্তী প্রজন্মের ওপরেও শুভ প্রভাব ফেলে।


৬. প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQs)

প্রশ্ন ১. যদি কোনো এলাকায় বটগাছ না থাকে, তবে পুজো কীভাবে করব? যদি কোনো কারণে আশেপাশে বটগাছ না থাকে, তবে পুজোর আগের দিন বটগাছের একটি ছোট ডাল ভেঙে এনে টবে বা মাটিতে বসিয়ে পুজো করা যায়। পুজো শেষে সেই ডালটি কোনো পবিত্র জলাশয়ে বিসর্জন দেবেন বা মাটিতে পুঁতে দেবেন।

প্রশ্ন ২. ঋতুস্রাব বা পিরিয়ডস চললে কি এই ব্রত করা যায়? শাস্ত্র মতে, পিরিয়ডস চলাকালীন মহিলারা পুজোর সামগ্রী স্পর্শ করতে পারেন না বা সরাসরি পুজো করতে পারেন না। তবে আপনি মনে মনে ব্রতের উপবাস রাখতে পারেন এবং অন্য কোনো সধবা মহিলার মাধ্যমে বটগাছে সুতো বা জল অর্পণ করাতে পারেন। এতে ব্রতের ফল নষ্ট হয় না।

প্রশ্ন ३. উপবাস ভাঙার বা পারভণের সঠিক নিয়ম কী? পুজো সম্পন্ন করার পর বটগাছের মূল বা জটার একটি ছোট অংশ এবং ভিজে ছলা জলের সাথে গিলে খেয়ে উপবাস ভাঙা হয়। এরপর প্রবীণদের প্রণাম করে অন্ন গ্রহণ করা যায়।


৭. বিশেষ পরামর্শ

বিশেষ পরামর্শ: বট সাবিত্রী ব্রতের দিন পুজোর পর বাঁশের পাখাটি দিয়ে স্বামীকে বাতাস করার সময় মনে মনে সাবিত্রীকে স্মরণ করবেন। আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, পুজোয় ব্যবহৃত ভিজে ছলা বা বুট কলাইগুলোর মধ্যে অন্তত ৩টি ছলা না চিবিয়ে জলের সাথে গিলে খেলে নারীদের জরায়ু সংক্রান্ত রোগ ব্যাধি দূর হয় এবং সন্তান ধারণের ক্ষমতা বাড়ে। পুজো শেষে স্বামীর হাতে সামান্য মিষ্টি ও জল দিয়ে তাঁর আশীর্বাদ নিতে ভুলবেন না।


৮. উপসংহার: বিশ্বাস ও ভালোবাসার উৎসব

বট সাবিত্রী ব্রত কেবল একটি ধর্মীয় আচার নয়, এটি ভারতীয় সংস্কৃতির সেই মহান ঐতিহ্যকে তুলে ধরে যেখানে ভালোবাসার শক্তি মৃত্যুর চেয়েও বড় হতে পারে। সতী সাবিত্রীর এই গল্প আমাদের শেখায় যে একাগ্রতা এবং পতিভক্তি থাকলে যেকোনো অসম্ভবকে সম্ভব করা যায়।

আশা করি Pujapath.net-এর এই বিস্তারিত নির্দেশিকা আপনার এবং আপনার পাঠকদের উপকারে আসবে। কমেন্টে “জয় সতী সাবিত্রী” বা “জয় লক্ষ্মী-নারায়ণ” লিখে আপনার ভক্তি প্রকাশ করুন এবং নিবন্ধটি অন্য সধবা বোনেদের সাথে শেয়ার করুন!